দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বরিশাল থেকে রাজধানীর পথে যাত্রা শুরু করলেই গৌরনদী অংশে বদলে যায় চিত্র। দেশের অন্যতম ব্যস্ত ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের এই অংশ এখন যেন খানাখন্দের সড়ক। কোথাও পিচ-পাথর উঠে গিয়ে সড়ক ফুলে উঠেছে, কোথাও তৈরি হয়েছে বড় গর্ত। আবার কোথাও মূল সড়কের সঙ্গে সম্প্রসারিত অংশের উচ্চতার পার্থক্যে তৈরি হয়েছে ঢেউখেলানো অবস্থা। টানা বর্ষণে গত কয়েক সপ্তাহে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে।
গৌরনদীর ভুরঘাটা বাসস্ট্যান্ড থেকে দক্ষিণ উজিরপুর সীমান্ত পর্যন্ত প্রায় ১৯ কিলোমিটার সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত ছড়িয়ে আছে পুরো পথে। টরকী, মদিনা, গৌরনদী, আশোকাঠী, কাসেমাবাদ, মাহিলাড়া, বাটাজোর ও বামরাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। কোথাও সড়কের মাঝখানেই তৈরি হয়েছে বড় গর্ত। এসব গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে যানবাহনকে বারবার দিক পরিবর্তন করতে হচ্ছে। এতে বাড়ছে সংঘর্ষ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি।
ক্ষতিগ্রস্ত সড়কে স্থায়ী সংস্কারের বদলে আপাতত গর্তে ইট ফেলে জোড়াতালি দিচ্ছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। কিন্তু ভারী যানবাহনের চাপে সেই ইট দ্রুত গুঁড়ো হয়ে যাচ্ছে। তৈরি হচ্ছে ধুলা। বৃষ্টিতে আবার ধুয়ে যাচ্ছে ভরাট করা অংশ। ফলে কিছুদিন পর একই জায়গায় আবার গর্ত তৈরি হচ্ছে।
চালকদের অভিযোগ, শুধু গর্তই নয়, কোথাও কোথাও সড়ক এতটাই উঁচু-নিচু যে যানবাহনের চাকা ও যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে মালবাহী যানগুলোকে ঝুঁকি নিয়ে চলতে হচ্ছে। যাত্রীদেরও পুরো পথজুড়ে পোহাতে হচ্ছে তীব্র ঝাঁকুনি ও ভোগান্তি।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. মিজানুর রহমান বলেন, মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে গর্তের পাশাপাশি মূল সড়ক ও সম্প্রসারিত অংশের উচ্চতায় পার্থক্য রয়েছে। এ কারণে কম প্রশস্ত অংশে যানবাহন বেশি গতিতে চলাচল করছে। মহাসড়কে চলাচলকারী থ্রি-হুইলারও অনেক সময় সম্প্রসারিত অংশ ব্যবহার না করে মূল সড়র ব্যবহার করছে। এসব কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে।
বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহিন খান বলেন, ভারী বর্ষণে কোথাও কোথাও গর্ত তৈরি হয়েছে। সেগুলো মেরামত করা হচ্ছে। তবে বৃষ্টির কারণে মেরামত করা অংশ টেকসই হচ্ছে না।
কেএম